ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি নিহত: ইরনা

ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর তথ্য জানানো হলেও তা প্রত্যাখান করেছিল ইরানি কর্তৃপক্ষ। অবশেষে রোববার ভোরে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইসলামি রিপাবলিক নিউজ এজেন্সি (ইরনা)।

তেহরানভিত্তিক এই সংবাদ সংস্থা তাদের প্রকাশিত সংবাদে জানায়, ইসরায়েলি ও মার্কিন সরকারের আক্রমণে ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনি শহীদ হয়েছেন।

শনিবার সকালে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ আক্রমণে ইসলামী বিপ্লবী, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি শহীদ হয়েছেন। এর আগে আলি খামিনির একাধিক স্বজনের মৃত্যুর তথ্য প্রকাশ্যে আসে।

রোববার বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে ৬টা নাগাদ ফারস নিউজের বরাত দিয়ে জর্ডানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রোয়া নিউজ তাদের প্রকাশিত সংবাদে জানায়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামিনির পরিবারের একাধিক সদস্য নিহত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায়।

রোয়া জানায়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার ঘনিষ্ঠ সূত্র তার পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। ফারস নিউজ ইরানের সর্বোচ্চ নেতার ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে তার মেয়ে, জামাতা, নাতনী এবং পুত্রবধূ নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে। তবে এ ব্যাপারে ইরানের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ সে সময় কোনো বিবৃতি দেয়নি।

প্রাথমিকভাবে শনিবার হামলা শুরুর কয়েক ঘণ্টার মাথায় খামেনির মৃত্যুর কথা জানায় ইসরায়েল। পরে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি জীবিত আছেন এবং দৃঢ়তার সঙ্গে (যুদ্ধের) ময়দানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। খবর এনবিসি ও এএফপির।

এনবিসি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আরাঘচি বলেন, তার জানা মতে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি জীবিত আছেন। তবে শেষ পর্যন্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের খামিনিকে হত্যার দাবিই সত্য প্রমাণিত হয় ইরনার সংবাদে।

খামেনি নিহত হওয়ার খবরের বিষয়ে ট্রাম্প এনবিসি নিউজকে বলেন, ‘আমরা মনে করি এটি একটি সঠিক খবর।’ তিনি আরও বলেন, ইরানের সিনিয়র নেতৃত্বের ‘অধিকাংশ চলে গেছে। যারা সব সিদ্ধান্ত নিতেন, তাদের বেশিরভাগই চলে গেছে।’

পাঠকের মন্তব্য